অনেক সেঞ্চুরি হাতছাড়া হওয়ায় আক্ষেপ মুশফিকের

1

টেস্ট , ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণের ক্রিকেটে কী ছন্দেই না ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু করোনাভাইরাস এসে মুশফিকের ক্যারিয়ারের সোনালি সময়টা থমকে দিয়েছে আচমকা। এ বছর দলের যে সূচি ছিল, তাতে টানা খেলায় থাকলে হয়তো ২০২০ সালে রান বন্যা বইয়ে দিতে পারতেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

করোনা বিরতির আগে মুশফিক সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছিলেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে আবাহনীর জার্সিতে ১২৭ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন। একই মাঠে মুশফিক তাঁর সর্বশেষ টেস্ট ইনিংসে করেছিলেন অপরাজিত ২০৩। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সর্বশেষ ওয়ানডে ইনিংসেও (৫৫) রানে ছিলেন। টি-টোয়েন্টিতেও ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলছিলেন নিয়মিত। মাত্র তিন ইনিংস পেছনে গেলেই ভারতের বিপক্ষে মুশফিকের অপরাজিত ৬০ রানের ইনিংসটি খুঁজে পাওয়া যায়।

এমন ছন্দে থেকেও ম্যাচ খেলতে না পারলে আক্ষেপ কাজ করবেই। মুশফিকও ব্যতিক্রম নন। ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট সিরিজ দেখে আক্ষেপ যেন আরও বেড়ে যায় মুশফিকের। আজ মিরপুর স্টেডিয়ামে ব্যক্তিগত অনুশীলন শেষে বলছিলেন, ‘খেলা দেখলে আফসোস লাগে। সারা দিন বাসায় বসে থাকলে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর খেলাটাই দেখা হয়। একটু হলেও খারাপ লাগে। অনেকগুলো ফিফটি বা সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে।’

করোনার কারণে ক্রিকেটের নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। নতুন নিয়মে ক্রিকেট কেমন হতে পারে, সেটি দেখতেও টিভি খুলে বসতে হচ্ছে মুশফিককে, ‘চেষ্টা করছি টিভিতে খেলা দেখে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করার। সব ঠিক থাকলে সামনে আমাদের কী কী খেলা হবে সেসব নিয়ে একটু মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা। আর কীভাবে নতুন নিয়ম ব্যবহার হচ্ছে, এসব খেলা দেখে শেখার চেষ্টা করছি
সূত্রঃ সময় নিউজ