আলোকিত সমাজ গড়ার কারিগর হাজী আব্দুল জাব্বার

24

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আলোকিত সমাজ গড়ার কারিগড় হাজী আব্দুল জাব্বার। আটি এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক যিনি সিদ্ধিরগঞ্জসহ পুরো নারায়ণগঞ্জজুড়ে একনামে সুপরিচিত ছিলেন সেই মৃত আসহান উল্লাহ মাতবরের ছেলে হাজী আব্দুল জাব্বার মসজিদ,মাদ্রাসা, স্কুল, মার্কেটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে ইতিমধ্যেই ওই এলাকায় একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

তিনি আটি মাতবর বাড়ি জামে মসজিদের মোতাওল্লী হিসেবে থেকে মসজিদটির রক্ষনাবেক্ষন করছেন। মহান আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য অর্জনে মসজিদটিতে সালাত আদায় করতে আসা সকলের সেবায় কাজ করছেন। ইহকালের কল্যাণ ও পরকালের মুক্তির হাতিয়ার হিসেবে বিশিষ্ট এই সমাজ সেবক সমাজের উন্নয়ণমূলক কাজে সর্বদা অংশ নিচ্ছেন। চিটাগাংরোড বাইতুস সুজুদ (মিনার)মসজিদের সভাপতি হয়ে মাত্র ছয় মাসেই মসজিদটি ছয়তলায় রুপান্তর করেছেন। মানসম্পন্ন ওজু খানাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মসজিদটিতে প্রতিদিন শত শত মুসল্লি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে সিজদা দিচ্ছেন। মসজিদে কুবা প্রতিষ্ঠা করেছেন হাজী আব্দুল জাব্বার। হাজী মরিয়ম জামে মসজিদটিও তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছেন মহান প্রভুর কৃপায়। হাজী আহসান উল্লাহ জামে সমজিদের প্রতিষ্ঠাতা হাজী আব্দুল জাব্বার সর্বদা মুসলিম জাহানের মঙ্গল ও কামিয়াবী হাসিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় হাজী আব্দুল জাব্বার মিফতাহুল উলুম কাওমী মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হয়ে ছাত্রদের ইলম, আমলের তারাক্কি বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন খাইরুল উম্মাহ কওমী মাদ্রাসা।

একটি সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণে কাজ চলেছেন বছরকে বছর ধরে। সমাজের অবহেলিত মানুষের মুখে ফুটিয়েছেন আনন্দের হাসি। হাজী আব্দুল জাব্বার আটি এলাকায় ইসলামিক মডেল হাইস্কুল ও পানি উন্নয়ণ বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নয়নে কাজ করেছেন।

হাজী আব্দুল জাব্বার বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভের উদ্দেশে ইহকালের কল্যাণ ও পরকারের মুক্তি পেতে কাজ করে চলেছি। তবে বাইতুস সুজুদ মিনার মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম কমিটিতে থাকা অবস্থায় ব্যাপক লুটপাট করেছে। মসজিদটির উন্নয়ণমুলক কোন কাজ করেনি সে। মাঝে মাঝে সে মসজিদটির উন্নয়ণ বাধাগ্রস্থ করতে চেষ্টা চালাচ্ছে।

দুর্নীতির দায়ে নুরুল ইসলামের নামে মামলাও হয়েছে তারপরও সে সরব। কোন ভাবেই তাকে দমানো যাচ্ছে না। মাদক সেবী নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যকলাপেরও অভিযোগ উঠেছে। নুরুল ইসলাম মসজিদটির সামনের দোকানগুলো দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং সেখান থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায়ে চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন মসজিদ কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা। বাইতুস সুজুদ মিনার মসজিদের সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, প্রায়ই নুরুল ইসলাম মসজিদের উন্নয়নে বাধাগ্রস্থ করতে হুমকি দিয়ে আসছে।

নতুন কমিটি করে মসজিদের আশপাশে অবস্থিত সকল দোকানগুলো থেকে চাঁদা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। কোষাধ্যক্ষ নেছার উদ্দিন বলেন, মসজিদটির উন্নয়ন ঠেকাতে নুরুল ইসলাম উঠেপড়ে লেগেছে। বর্তমান সভাপতি হাজী আব্দুল জাব্বার মসজিদটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর মসজিদটির উন্নয়ন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। মুসল্লিরা নিভিঘেœ নামাজ আদায় করছে। কোন অভিযোগ নেই। আর নুরুল ইসলাম যখন ছিলো মসজিদের নামেই মাসিক টাকা চাঁদা উঠাত সে। সে লুটাপাটের রাজক্ত কায়েম করেছেন।

তার কর্মকান্ডে আমরা হতাশ ছিলাম। হাজী আব্দুল জাব্বার এসে মসজিদে শান্তি ফিরিয়ে এনেছেন।
সমাজের যে মানুষটি বিপদে, আপদে, দু:সময়ে সহযোগীতা চেয়েছেন তারই পাশে বটবৃক্ষের মতো ছায়া হয়ে দাড়িয়েছেন মানবতার ফেরীওয়ালা হিসেবে পরিচিত বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজী আব্দুল জাব্বার।

হাজী আব্দুল জাব্বার মহান আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য হাসিলের জন্য ইতিমধ্যেই অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিম খানায় দান করে চলেছেন।

সমাজে শিক্ষার আলো জ্বালাতে, শিক্ষার আলোয় সমাজকে আলোকিত করতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজে সহায়তা করে চলেছেন। অসহায় নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের সেবায় ও একটি সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ হাজী আব্দুল জাব্বার। মহান আল্লাহ তায়াকে রাজি খুশি করতে এই প্রচেষ্টা সবসময়ই চলমান থাকবে বলে জানান হাজী আব্দুল জাব্বার।