ইসলামিক দেশগুলোতে জঙ্গি নিয়ে ভয়ানক হুমকি

1

ইসলামিক স্টেটকে অন্য যে কোন জঙ্গি সংগঠন থেকেও অনেক বেশি ভয়ানক বলে উল্লেখ করেছে মার্কিন সরকার।

সিরিয়া এবং ইরাকে এই সংগঠনটিকে রুখতে একটি আঞ্চলিক কোয়ালিশন দরকার বলে মনে করে ওয়াশিংটন।

ইরাক ও সিরিয়ার একটি বিশাল অঞ্চল দখল করে নিয়েছে ইসলামিক স্টেট।

দুদিন আগেই ড্রোন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এক মার্কিন সাংবাদিককে জবাই করে হত্যা করে তার ভিডিও প্রকাশ করার পর মার্কিন সরকার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরাকে ইসলামিক স্টেটের অবস্থান লক্ষ করে হামলাও বাড়িয়ে দিয়েছে।

মার্কিন সরকার বলছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট একটি দীর্ঘ মেয়াদি হুমকি।

সিরিয়া এবং ইরাকে এই সংগঠনটিকে রুখতে তাই একটি আঞ্চলিক কোয়ালিশন দরকার বলে মনে করে ওয়াশিংটন।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী চাক হেগেল বলেছেন, এই সংগঠনটিকে শুধু সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বলা যাবে না।

তিনি বলেন, তাদের মতধারা ও সামরিক কর্মকৌশল সবমিলিয়ে তারা এক ভয়ানক হুমকি।

আগে দেখা যেকোনো ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সাথে তাদের তুলনা করলে ভুল হবে বলে তিনি বর্ণনা করেন।

ইসলামিক স্টেটের খুব ভাল অর্থায়ন আছে বলে মনে করছেন তিনি।

মি: হেগেল বলছেন ইসলামিক স্টেট সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের ধারনা খুবই পরিষ্কার।

আর তা হলো এটি একটি দীর্ঘ মেয়াদি হুমকি তাই এই সংগঠনকে রুখতে মার্কিন স্ট্র্যাটেজিও হবে দীর্ঘ মেয়াদি।

ইসলামিক স্টেট আবার নতুন করে জোরেশোরে তাদের হামলা চালাবে বলে মার্কিন সরকার মনে করছে আর তাই জঙ্গিদের হাতে আরো আমেরিকান নাগরিক জিম্মি থাকার পরও তারা ইরাকে বিমান হামলা অব্যাহত রাখবে বলে জানাচ্ছে মার্কিন সরকার।

পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে মসুল শহরের বাইরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁধের আশপাশের এলাকায় অন্তত ১৪টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে সামরিক যান ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে।

ওদিকে মার্কিন সাংবাদিক জেমস ফলিকে জবাই করে হত্যা করার ঘটনার এক তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন সরকার।