করোনায় আরও তিন জনের মৃত্যু নোয়াখালীতে ,নতুন শনাক্ত হয়েছে-৯১জন

0

নোয়াখালীতে  করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই নারীসহ আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭৪জন। এদিকে জেলায় নতুন করে আরও ৯১জনের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই নারীসহ আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭৪জন। এদিকে জেলায় নতুন করে আরও ৯১জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার।

সদর উপজেলা করোনা ফোকাল পার্সন ডা. নিলিমা ইয়াছমিন বলেন, উপজেলা করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে নোয়াখালী পৌরসভার সোনাপুর ইসলামিয়া রোড এলাকার বাসিন্দা রাজিয়া খাতুন (৭৫) গত ৮আগস্ট করোনায় আক্রান্ত হন। এর কয়েকদিন আগে উনার ছেলে রফিক উল্যাও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ওই নারীসহ তাদের বাড়ীতে ১১জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সবাই নিজ বাড়ীতে হোম আইসোলেশনে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ বাড়ীতে মারা যান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জেলা শহরের পশ্চিম মাইজদী এলাকার বাসিন্দা ইফতেখার হোসেন (৬৭) শরীরে গত ১২আগস্ট করোনা শনাক্ত হয়। উনার শারীরিক অবস্থায় খারাপ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান তিনি।

বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার দাস জানান, বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের কামজাদপুর গ্রামের বাসিন্দা হাজেরা খাতুন (৯৫) অসুস্থ্য থাকায় গত ১১আগস্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নুমনা দেন। পরদিন পজিটিভ আসার পর থেকে নিজ বাড়ীতে হোম আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় শুক্রবার বিকালে তিনি মারা যান। উনার পরিবারের আরও ৯জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত।

সিভিল সার্জন বলেন, জেলায় নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সদরে ৫২, সুবর্ণচরে ১, বেগমগঞ্জে ৮, সোনাইমুড়ীতে ৪, চাটখিলে ৭, সেনবাগে ১০, কবিরহাটে ৪ ও কোম্পানীগঞ্জে ৫জন রোগী রয়েছেন। জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৯৩৬জন। যার মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ২৫৬২ ও আইসোলেশনে রয়েছেন ১৩০১জন।

শনাক্ত হয়েছে। শনিবার দুপুরে তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার।

সদর উপজেলা  ফোকাল পার্সন ডা. নিলিমা ইয়াছমিন বলেন, উপজেলা করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে নোয়াখালী পৌরসভার সোনাপুর ইসলামিয়া রোড এলাকার বাসিন্দা রাজিয়া খাতুন (৭৫) গত ৮আগস্ট করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই নারীসহ আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭৪জন। এদিকে জেলায় নতুন করে আরও ৯১জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনিবার দুপুরে তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার।

সদর উপজেলা ফোকাল পার্সন ডা. নিলিমা ইয়াছমিন বলেন, উপজেলা করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে নোয়াখালী পৌরসভার সোনাপুর ইসলামিয়া রোড এলাকার বাসিন্দা রাজিয়া খাতুন (৭৫) গত ৮আগস্ট করোনায় আক্রান্ত হন। এর কয়েকদিন আগে উনার ছেলে রফিক উল্যাও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ওই নারীসহ তাদের বাড়ীতে ১১জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সবাই নিজ বাড়ীতে হোম আইসোলেশনে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ বাড়ীতে মারা যান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জেলা শহরের পশ্চিম মাইজদী এলাকার বাসিন্দা ইফতেখার হোসেন (৬৭) শরীরে গত ১২আগস্ট করোনা শনাক্ত হয়। উনার শারীরিক অবস্থায় খারাপ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান তিনি।

বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার দাস জানান, বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের কামজাদপুর গ্রামের বাসিন্দা হাজেরা খাতুন (৯৫) অসুস্থ্য থাকায় গত ১১আগস্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নুমনা দেন। পরদিন পজিটিভ আসার পর থেকে নিজ বাড়ীতে হোম আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় শুক্রবার বিকালে তিনি মারা যান। উনার পরিবারের আরও ৯জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত।

সিভিল সার্জন বলেন, জেলায় নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সদরে ৫২, সুবর্ণচরে ১, বেগমগঞ্জে ৮, সোনাইমুড়ীতে ৪, চাটখিলে ৭, সেনবাগে ১০, কবিরহাটে ৪ ও কোম্পানীগঞ্জে ৫জন রোগী রয়েছেন। জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৯৩৬জন। যার মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ২৫৬২ ও আইসোলেশনে রয়েছেন ১৩০১জন।

আক্রান্ত হন। এর কয়েকদিন আগে উনার ছেলে রফিক উল্যাও আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ওই নারীসহ তাদের বাড়ীতে ১১জন আক্রান্ত হওয়ার পর সবাই নিজ বাড়ীতে হোম আইসোলেশনে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ বাড়ীতে মারা যান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জেলা শহরের পশ্চিম মাইজদী এলাকার বাসিন্দা ইফতেখার হোসেন (৬৭) শরীরে গত ১২আগস্ট করোনা শনাক্ত হয়। উনার শারীরিক অবস্থায় খারাপ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান তিনি।

বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার দাস জানান, বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের কামজাদপুর গ্রামের বাসিন্দা হাজেরা খাতুন (৯৫) অসুস্থ্য থাকায় গত ১১আগস্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নুমনা দেন। পরদিন পজিটিভ আসার পর থেকে নিজ বাড়ীতে হোম আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় শুক্রবার বিকালে তিনি মারা যান। উনার পরিবারের আরও ৯জন সদস্য  আক্রান্ত।

সিভিল সার্জন বলেন, জেলায় নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সদরে ৫২, সুবর্ণচরে ১, বেগমগঞ্জে ৮, সোনাইমুড়ীতে ৪, চাটখিলে ৭, সেনবাগে ১০, কবিরহাটে ৪ ও কোম্পানীগঞ্জে ৫জন রোগী রয়েছেন। জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৯৩৬জন। যার মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ২৫৬২ ও আইসোলেশনে রয়েছেন ১৩০১জন।