ক্যামেরা দেখে দৌড়ে পালালো রাজাখালী নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুর রহমান ও তার সহকারী

35

স্টাফ রিপোর্টার: নদী পথে নিরাপত্তার নামে রাজাখারীর নৌ ফাঁড়ির নামে চাঁদাবাজিতের মেতেছেন খোদ নৌ ফাড়ির ইনচার্জ আব্দুর রহমান। প্রতিদিন সকাল, বিকেল ও রাতে নদীতে নিরাপত্তার নামে বালুবাহী বাল্কহেড থেকে দুইশ থেকে পাঁচশ টাকা তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গত মঙ্গলবার সন্ধায় গিয়ে দেখা যায় প্রতিটি বালুবাহী ট্রলার থেকে টাকা তুলছেন এই তুলা বাহিনীর সদস্যরা। লাল নীল কালারের একটি নৌকায় করে দুইজন পুলিশ সদস্য ভিতরে থেকে নৌকার মাঝিকে দিয়ে চাঁদা উঠাচ্ছেন। তাদের এই চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন নদী পথে চলাচলকারী নৌযানের মালিক শ্রমিকরা। টাকা না দিলে গালমন্দসহ বিভিন্ন মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদা তুলেন এই পুলিশ সদস্যরা।

পুলিশের পোশাক না পড়ে সিভিল পোশাক পড়ে চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত পুলিশ সদস্যরা। দেখে বুঝার কোন উপায় নেই তারা কি পুলিশ নাকি চাঁদাবাজ। কোন কোন ক্ষেত্রে তাদের গাঁয়ে হাত তুলেন নৌ পুলিশের সদস্যরা। রাজাখালীর ইনচার্জ আব্দুর রহমান জানান, আমাদের সাথে দেখা করে গেলে ভালো হতো। আমরা কোন চাঁদাবাজি করছি না। তাহলে কি করছেন জানতে চাইলে এড়িয়ে যান ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রহমান।

ভুক্তভোগীরা জনান, পুলিশের কাজই হলো চাঁদা তোলা এছাড়ার আর নদী পথে নিরাপ্তার কথা বলে কিন্তু কোন কাজই করেন না। নদীপথে চাঁদাবাজি থামবে কবে এই বিষয়ে জানতে নৌ পুলিশের ডিআইজি আতিকুল ইসলামের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

এর পর আসছে “দেখে বুঝার কোন উপায় নেই পুলিশ নাকি চাঁদাবাজ”