পটুয়াখালী গলাচিপাতে রাধা গোবিন্দ মন্দির মুক্ত করা ও নতুন কমিটির দাবিতে মানববন্ধন

112

তারেক সালমান, পটুয়াখালী: গলাচিপা এল,জি,ইডি হিসাব সহকারীর বিরুদ্ধে ১০লক্ষ টাকা আত্নসাৎ করার অভিযোগ ও জোর দখলকারি দাঙ্গাবাজ,ও মামলাবাজ ও অর্থ আত্মসাৎকারী গলাচিপা এল,জি,ইডি হিসাব সহকারীর অশোক বালার হাত থেকে,শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির মুক্ত করা ও নতুন কমিটির দাবিতে মানববন্ধন করেন গলাচিপা উপজেলার ৬নং ডাকুয়া ইউনিয়নের ছোট চত্রা (পূর্ব আটখালী)গ্রামের প্রায় ৫ শতাধিক /স্থানীয় মানুষ তারিখঃ৭ নভেম্বর,২০১৯ খ্রি.রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১২:15 মিনিটে মানববন্ধন করেন ওই এলাকাবাসী,এলাকাবাসীর অভিযোগ শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দিরটির নামে আসা সরকারি অর্থ বরাদ্দ, জায়গা জমি দিয়ে উপার্জিত অর্থ আত্নসাৎ ও নীরহ মানুষকে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ এল,জি,ইডি অফিসের হিসাহ সহকারী অশোক চন্দ্র বালার বিরুদ্ধে। এলাকাবাসির অভিযোগ ১৪ বছর যাবৎ মন্দিরটি দখল করিয়া মন্দিরের নামে জায়গা জমির উপার্জিত অর্থ ও মন্দিরের নামে আসা সরকারি অনুদান আত্মসাৎ করিয়া আসিতেছে অশোক চন্দ্র বালা (৪৭)বল্লেন ওই এলাকাবাসী এমন অভিযোগ করেন স্থানীয় উপস্থিত মানুষ জন ,তারা আরো বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ টাকা আত্নসাধ করার অভিযোগ রয়েছে অশোক চন্দ্র বালার বিরুদ্ধে তিনি গলাচিপা এল,জি,ডি অফিসে হিসাব সহকারি পদে কর্মরত থাকায় মন্দিরের নামে আসা সরকারি বরাদ্দ সকলের ধরা ছোয়ার বাহিরে থেকে লুটপাট করে আসছে। তাছাড়া একক একটি কমিটি করে সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা এলাকাবাসী নতুন কমিটির কথা বললে তারা প্রতি বছর পুজার মৌসুমে নতুন কমিটি গঠন করবে বলিয়া তাল বাহানা করিয়া বছরের পর বছর ঘুরাইতে থাকে এবং এ বিষয় নিয়ে গ্রামের অনেক নীরহ মানুষকে একাধিক বার নামে বেনামে বাদী করিয়া সব মিলিয়ে প্রায় ১৭ টি মামলা দিয়ে হয়রানির উপরে রেখেছে।বর্তমানে এলাকাসী তার হীন মানষিকতায় অতিষ্ঠ।এছাড়া অশোক চন্দ্র বালা গলাচিপা সদরে বসবাস করে তাই কেউ কিছু বললে তার ক্ষমতার জোরে বিভিন্ন কুচক্রী মহলের লোকজন ধারা মেরে ফেলার হুমকি ধামকি দেখায় এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে নীরহ মানুষকে ধরিয়ে নেয় তাই অনেক গ্রামবাসী কিছু বলতে সাহস পাচ্ছে না সকল ধরনের প্রভাব খাটিয়ে চলছে ,অশোক চন্দ্র বালা অভিযোগকারী রা আরো বলেন, দখলকারীরা গত ১ লা বৈশাখ এলাকার সাধারণ জনগনকে কথা দেয় এ বছর দুর্গা পুজার সময় মন্দিরের উপার্জিত সকল আয় ব্যয় হিসাব দাখিল করিয়া নতুন কমিটি গঠন করিয়া সকল কার্যক্রম করিবে।তাহাতে গত ১০/১০/১৯ ইং অনুমান রাত ১০ টার দিকে ৩০০ লোকের উপস্থিতিতে মন্দিরের ভিতরে উপার্জিত অর্থের হিসাবের সময় দেখা যায় যে পুর্বের কমিটির লোকেরা মন্দিরের প্রায় ১০ লক্ষ টাকা আত্নসাধ করিয়াছে। হিসাবের সময় মন্দির এ উপস্থিতিত থাকা গুরুদাস বলেন সাধারন জনগণের সামনে তাহাদের নিকট ১০ লক্ষ টাকা মন্দিরের নামে জমা রাখিয়া নতুন কমিটি গঠনের কথা বলি।তারা নতুন কমিটি যাহাতে না হয় সেজন্য এই ১০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা সম্পুর্ন অস্বীকার করে। এবং নতুন কমিটি হলে তাহাদের উপরে এর দায়ভার চাপিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।এ সময় তার সাথে থেকে সহকর্মীরা ও কিছু অজ্ঞাতনামা লোকজন সাথে নিয়ে মন্দিরে থেকে আমাকে বাহির হইয়া যেতে বলে কুমতলবে মন্দিরের পাশে থাকা কাঠের রুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি ভাবে মারধর শুরু করে। অশোক চন্দ্র বালা ও তার লোক জন।।