পটুয়াখালী চৌদ্দপুরা গ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় ভাংচুর, লুটপাট , শ্লীলতাহানির ঘটনায় গুরুত্বর আহত ৮

1

তারেক সালমান: কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দপুরিয়া গ্রামে বসত বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলায় ভাংচুর, লুটপাট, নারীদের শ্লীলতাহানির ঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়ে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছে। এ বিষয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান, আহত মামুন মুন্সি (৩০), মিনারা বেগম (৪৫), নুপুর আক্তার (২০), আয়শা (২৫), রোজিনা (৩২),আবেদা (৫৫), খালেক মুন্সি (৩৫), ইমরান মুন্সি (১৬) ছাত্র। আহত রা আরো বলেন, একই এলাকার প্রতিবেশী সেকান্দার বয়াতী বাহিনীর একদল সন্ত্রাসী গত ৩০ মার্চ আনুমানিক বিকেল ৩ ঘটিকার সময় ৩০-৪০ জন মিলে বসত বাড়িতে ঢুকে হামলা চালিয়ে ঘর ভাংচুর করে ফেলে দিয়ে মালামাল লুট করে নেয়ার সময় বাধা দিতে গেলে দেশীয় অস্ত্র রামদা,দাও, বগি,দেখায় লোহার রড, লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ৮ জনকে গুরুতর আহত করে যার মধ্যে নারী রাই বেশি এবং নারীদের শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটায় বলে জানিয়েছেন আহতরা।ভিকটিমদের চিহ্নিত করা হামলাকারীরা ১. সেকান্দার বয়াতি (৪০) পিতাঃ ইউসুফ বয়াতি, ২. কলম বয়াতি, পিতাঃ গফুর বয়াতি, ৩. শাহিন হাং, পিতাঃ রব্বান হাং, ৪. জাফর সরদার, পিতাঃ রুস্তম সরদার, ৫. আনোয়ার হাং, পিতাঃ আব্দুল গনি হাং, ৬. মুসা বয়াতি, পিতাঃ সেকান্দার বয়াতি, ৭. সাগর হাং, পিতাঃ আনোয়ার হাং এছাড়া বাকিরা ভারাটে অজ্ঞাত নামা বলে জানায় আহত রা। এরা এলাকার ত্রাস জোর করে মানুষের জায়গা জমি দখল করা রাতের আধারে ডাকাতি করা, ভাড়ায় মানুষ খুন করা এদের বংশীয় পেশা আহত নারীরা বলেন আমরা গরীব দিন আনি দিন খাই এখন আমাদের ঘরের সব লুট হয়ে গেছে এমনকি ঘরটা ভেঙে ফেলে দিয়ে গেছে আমাদের অসম্মানি করে গায়ে হাত দিয়েছে দেশের এখন করোনা চলে কামাই বানিজ্য বন্ধ আমরা এখন খাব কি থাকতে হবে খোলা আকাশের নিচে। এমন জালিমদের বিচার আল্লাহ করবে আর প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন যাহাতে এই সন্ত্রাসী হমলার সুষ্ঠু বিচার পাই আইনের মাধ্যমে।