প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়েই বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’

1

প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগিয়েই বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ গঠনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় মহানেতার স্বপ্ন-লালিত ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শক্তি জোগাচ্ছেন। তার নির্দেশনায় বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্নপূরণে অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য প্রযুক্তিকে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সমাজ থেকে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা দূর করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগে স্বেচ্ছায় কনভালেসেন্ট প্লাজমা ডোনেশন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে ১৪ আগস্ট মুজিববর্ষ উপলক্ষে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে সারা দেশে এক লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, রাজশাহী’ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। এরপর শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য স্পেস বরাদ্দপত্র হস্তান্তর এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আওতায় কনভেনশন হল স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহীর ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক’ স্থাপনের কাজ শেষ হলে প্রায় ১৪ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থানের একটি ডিজিটাল ইকোনমিক হাব হিসেবে রাজশাহীর ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

দেশে প্রথম পর্যায়ে ২৮টি হাই-টেক পার্ক স্থাপন করছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে রাজশাহীতে প্রায় ৩১ একর জায়গায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক’ গড়ে উঠছে।

পার্কগুলোতে দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা পূরণে রাজশাহী ও নাটোরে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে এবং দেশের আরও ১০টি স্থানে চলমান আছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি জেলায় ট্রেনিং কাম ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হবে।

এদিকে ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই রাজশাহী হাই-টেক পার্কের ইনকিউবেশন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে আটটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়।