বন্দরে সাড়ে ৮ টন গুঁড়ো দুধ জব্দ

1

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইলেকট্রনিক পণ্য ঘোষণায় ২ টন গুঁড়ো দুধ আমদানি করেছে একটি প্রতিষ্ঠান। ইলেকট্রনিক পণ্যের বিপরীতে শুল্ক পরিশোধ করে খালাস করতে গিয়ে সেগুলো ধরা পড়ে।

জানা গেছে, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি হলো ঢাকার প্রাইম ট্রেডিং। নিয়ম অনুযায়ী পণ্যসমূহ কন্টেইনার থেকে নামিয়ে বন্দরের ১২ নং শেডে সংরক্ষণ করা হয়। পণ্য খালাসের লক্ষ্যে আমদানিকারক কর্তৃক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কুলগাঁও ট্রেডার্স লিমিটেডকে মনোনয়ন দেয়া হয়। তারা কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। কাস্টমস কর্মকর্তা পণ্য পরীক্ষা করতে গেলে পণ্য খালাসে নিয়োজিত আমদানিকারকের মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি শেডে সংরক্ষিত অপর একটি ইলেকট্রনিক পণ্য পরীক্ষা করান বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ইলেকট্রনিক পণ্যের বিপরীতে আড়াই লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ করে দুটি কাভার্ড ভ্যানে পণ্য বোঝাই করে খালাসের চেষ্টা করা হলে কাস্টম হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ টিম (এআইআর) গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়।

পরে এআইআর কর্তৃক পণ্য পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিবর্তে প্রায় সাড়ে আট টন গুঁড়ো দুধ পাওয়া যায়, যার আনুমানিক শুল্ক-কর ২৮ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, গুঁড়ো দুধ আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি নীতি অনুযায়ী মোড়কের গায়ে ‘মায়ের দুধের বিকল্প নেই’ উল্লেখ থাকতে হবে এবং বিএসটিআই-এর তার মাধ্যমে খাবার উপযোগী কিনা পরীক্ষা করতে হবে। এক্ষেত্রে দুটি শর্তই পূরণ করা হয়নি। অর্থাৎ কাস্টম হাউস কর্তৃক পণ্য খালাসের অপচেষ্টা রোধ করা না গেলে পণ্যগুলো মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিনা তা অজানা থেকে যেত।

শুল্ক ফাঁকির বিষয়ে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাছাড়া জাল-জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে কিনা এবং কোন কোন সংস্থার লোক জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এআইআর।