বিস্ফোরণে উলট পালট হয়ে গেলেও অক্ষত আল কোরআন

35

মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র আল কোরআননে ঘোষনা দিয়েছেন, পবিত্র আল কোরআন রক্ষানাবেক্ষন তিনিই করবেন। তার জলন্ত প্রমান আবারও মিলেছে মসজিদে বিস্ফোরনের ঘটনায় মসজিদটির ওয়াল, ফ্যান, কাঁচ ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে থাকলেও আল কোরআন রয়েছে অক্ষত অবস্থায়।

চৌদ্দশ’ বছর অতিক্রান্ত হলেও আজ পর্যন্ত কোরআনের একটি বিন্দু-বিসর্গ পর্যন্ত কেউ পরিবর্তন-পরিবর্ধন করতে পারেনি। আর পারবেও না। কারণ এই কোরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন আল্লাহ্ তা’লা নিজে । মহান আল্লাহ তায়ালা কোরআনুল কারীমে বলেন: আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ’ নাজিল করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক (সূরা আল-হিজর-৯)
দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও কেউ আজ পর্যন্ত কোরআনের সূরার মতো একটি সূরা বানিয়ে দেখানোর আল্লাহ্ পাকের দেয়া চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারেনি।

ফতুল্লার তল্লায় মসজিদে বিস্ফোরণের পর পুরো মসজিদের কাঁচ দেয়াল টাইলস ফ্যানসহ সব ভেঙ্গে চুরে ওলট পালট হয়ে গেলেও অক্ষত রয়েছে মসজিদের পবিত্র আল কোরআন। ৫ই সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে মসজিদে গিয়ে দেখা যায় কোরআন শরীফ ও হাদিসের বইগুলো রয়েছে অক্ষতই আছে।

স্থানীয় কাউন্সিলর জমশের আলী ঝন্টু জানান, জায়নামাজ, তসবিস, থাই গ্লাসগুলো, টাইলস ফেটে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হলেও অক্ষত রয়েছে কোরআন শরীফ ও হাদিসের বইগুলো। পুড়েছে জায়নামাজ, প্লাস্টিকের চেয়ার, মানবদেহ। বিস্ফোরণে বাকা হয়ে গেছে ফ্যানগুলো। তবে কোরআন শরীফ ও হাদিসের বইগুলো যেভাবে ছিল ঠিক সেভাবেই আছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ৪ঠা সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে মসজিদের ভেতরে থাকা প্রায় ৫০ জনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন তারা। তাদের মধ্যে দগ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।