ভোগে নয়, ত্যাগেই পরম সুখ: সোহাগ ইব্রাহীম

12

ভোগ বিলাষিতায় নয়, ত্যাগ তীতিক্ষায় পাওয়া যায় পরম সুখের আভাস। নিজেকে অন্তভুক্ত করা যায় একজন সুখি মানুষের দলে। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে লক ডাউনে রয়েছে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। কাজে যেতে পারছেন না কেউ। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার অসহায় জীবন যাপন করছেন। গরীব,ছিন্নমুল মানুষতো আছেই। এই অবস্থায় দুমোঠো খাবারে ব্যস্ত নগরবাসী। ব্যস্ত পরিবারের আপনজনেরা।

সরকারি ভাবে যে সাহায্য সহযোগীতা আসছে তা আবার অনেক চেয়ারম্যান মেম্বার মেরে দিচ্ছেন। আবার অনেকেই ধরা খাচ্ছেন দেশের এই অবস্থায় কোন ভাবেই জনপ্রতিনিধিদের কাজ থেকে এই ধরনের হীনমন্যাত আশা করা যায় না। যা প্রবাসে আমাকে কষ্ট দেয়। দেশের বিত্তবান মানুষের উচিৎ এই দুর্যোগে দেশের মানুষের সেবায় এগিয়ে আসা।

জনপ্রতিনিধিদের উচিৎ নির্বাচন এলে যেমন নাওয়া খাওয়া ছেড়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা, সেই অবস্থা এখন দেখানো উচিৎ। বাড়ি বাড়ি সকলের খোঁজ খবর নেওয়া কেউ অভুক্ত আছে কিনা তা দেখা। কে শুনে কার কথা, গুটি কয়েক জন আছেন তাছাড়া বাকিরা যেন অসহায়,যার যার মতো আছেন। এমনটি না করার জন্য অনুরোধ করছি।

বাড়িওয়ালাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলতে চাই। সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে হয়তো আপনি একটি বাড়ি তৈরি করেছেন।হয়তো এই বাড়ি ভাড়ার টাকা দিয়েই আপনার সংসার চলে।বাড়ি ভাড়ার পুরো টাকাটা কি আপনার সংসারে ব্যয় হয়? হয়তো হয়না। যদি খরচ হয়েই যায় তাহলে তা ভিন্ন কথা।

হে বাড়িওয়ালা আংকেল আপনি চাইলে এই মহামারিতে আপনার নেকির পাল্লা ভারি করতে পারেন। আপনার হৃদয়কে আত্মতৃপ্তি দিয়ে শীতল করতে পারেন। আমি বলছিনা আপনি পুরো ভাড়াটাই মওকুফ করে দিন। খুঁজ নিন, আপনার ভাড়াটিয়াদের কার কি অবস্থা। যাদের ইনকাম বন্ধ তাদের ভাড়াটা আপনি অর্ধেক করে দিন।

অথবা সম্ভব হলে পুরোটাই মওকুফ করে দিন। যদি তা নাপারেন তাহলে তাকে সময় দিন।মহামারির পরে নাহয় আপনি বাড়ি ভাড়াটা নিয়েন। দোকান মালিকরাও তাই করতে পারেন।

আল্লাহ আপনাদের অর্থিক সাবলম্বি করেছেন তাই আল্লাহর দিকে তাকিয়ে এই সহানুভূতিটুকু দেখান, দেখবেন আল্লাহ আপনাকে আখিরাতেতো দিবেনই দুনিয়াতেও আল্লাহ আপনাকে অধিক সম্মানিত করবেন এবং সম্পদ আরো বাড়িয়ে দিবেন।