মনিরামপুরেে এক এতিম কন্যাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেছে প্রবাসীর লম্পট ছেলে

7

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধিঃ মনিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়ায় এক প্রবাসীর লম্পট ছেলে এতিম কন্যাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি জানাজানি হতেই ধর্ষক পালিয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায় মনিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নের দিঘিরপাড় গ্রামের মালয়শিয়ায় প্রবাসী রেজাউল ইসলামের লম্পট ছেলে রানা হোসেন এক মাস ধরে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভিতী দেখিয়ে জোর পূর্বক একই পাড়ার মৃত্যু আলফাজ মোড়লের এতিম কন্যা ৬ ষ্ঠ শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্রীকে চাকুর ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে আসছে। কারণ মেয়ের মা একটি ইট ভাটার শ্রমিকের কাজ করায় অধিকাংশ দিন অধিক রাতে বাড়িতে ফিরে।বাড়িতে কেউ না থাকায় সেই সুযোগে মেয়েকে একা পেয়ে লম্পট রানা এই অপকর্ম করার সুযোগ পেয়েছে।

একপর্যায়ে গত একসপ্তাহ পূর্বে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় ভাবে সালিসি বৈঠক বসায় কিন্তু ছেলে পক্ষের লোকজন হাজির না হওয়ায় শনিবার সন্ধার পর মেয়েটি ছেলের বাড়িতে উঠে।
কিছুক্ষণ পরে ছেলের মা রওশনারা ও ছেলের চাচী তানজিলা মেয়েটিকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

পরের দিন মেয়ে মেয়ের মা ও মেয়ের কাকা রুবেল সহ কয়েকজন মনিরামপুর থানায় যেয়ে ওসি কে বিষয়টি জানান। তাতক্ষনিক ওসি খেদাপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জকে ঘটনাটির সত্যতার জাযাচাচের জন্য নির্দেশ দেন ।

ইনচাজ ঘটনা স্থলে এসে ছেলে মেয়ে উভয়ের বিষয় তদন্ত করেছেন এসময় ধষক রানা পলাতক ছিল।

অভিযোগ উঠেছে পিতৃ হারা এতিম কন্যা হতদরিদ্র পরিবারের হওয়ায়,বৃত্তবানশালী ছেলে ও ছেলের পরিবারের বিরুদ্ধে আজ অবদি কোন আইনের ব্যাবস্থা গ্রহন করতে সক্ষম হয়নি।
এদিকে মেয়ের পরিবার সহ স্থানীয়দের অভিযোগ গ্রামের জুয়েল নামের এক পুলিশ সদস্য ছেলের পক্ষ নিয়ে, মেয়ের পরিবার ও মেয়ের প্রতিবেশিদের বিভিন্ন ভয়ভিতী দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এবিষয়ে কথা হয় এতিম কন্যার মাতা ইট ভাটার শ্রমিক মাজেদা খাতুনের সাথে তিনি প্রতিনিধিকে জানান আমি গরীব হওয়ায় বড় লোকের ছেলে আমার মেয়েকে চাকুর ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছে।আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

কথা হয় ছেলের মা রওশনারার সাথে তিনি বলেন ঐ মেয়েটি আমার বাড়িতে এসে উঠেছিলো আমি তার দুটি চড় মেরে বের করে দিয়েছি। তিনি আরো বলেন আমার ছেলে যদি সত্যিকারে অন্যায় করে থাকে তাহলে আমি মেয়েটিকে ছেলের বৌ হিসাবে গ্রহণ করবো।

কথা হয় খেদাপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ খায়রুল ইসলামের সাথে, তিনি প্রতিনিধিকে বলেন ওসি স্যারের নির্দেশে আমি সরেজমিনে যায় এবং ঘটনাটি তদন্ত করে সত্যতা পেয়েছি।

মেয়ের পরিবারকে থানায় মামলা দেওয়ার কথা বলে এসছি।তবে ছেলেকে বাড়িতে না পাওয়ায় তাকে বাড়িতে হাজির করার জন্য ছেলের মাকে বলা হয়েছে।