মনিরামপুরে ক্ষেতের পানি নিষ্কাশন করতে যেয়ে লাশ হয়ে বাড়িতে ফিরলেন এক কৃষক

2

মনিরামপুর প্রতিনিধি: মনিরামপুরে এক কৃষক খেতের ফসল বাঁচাতে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন করতে যেয়ে ১৫ ঘন্টা পর লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। লাশের মাথায় ও ঘাড়ের দুটি কোপের দাগ পাওয়া গেছে। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। এ-সময় সন্দেহ ভাবে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য তিন যুবককে আনা হয়েছে।

জানা যায় গত ৩০ শে মে বিকালে বৃষ্টির পর মনিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বিকাল সাড়ে পাচটার দিকে বাড়ির পশ্চিম পাশে মাঠে ছাতা ও কোদাল নিয়ে নিজ ফসল ক্ষেতর আইল কেটে পানি বের করতে যায়।একই সময় উক্ত স্থানে ক্ষেতের পানি বের করার জন্য একই গ্রামের দুই যুবক তাদের জমির পানি বের করার জন্য যায় ।

এদিকে কৃষক নজরুল ইসলাম বিকাল রাতঅবদি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তকে খুজতে শুরু করে।একপর্যায়ে তার ছোট ছেলে জাহিদ হোসেন ভোর ছয়টার দিকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তারা পিতার লাশটি তাদের জমির ড্রেনে পড়ে থাাকতে দেখে।

এসময় তার আত্মচিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে আসে। সংবাদ পেয়ে উপজেলার ঝাঁপা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই সাহাবুল আলম ঘটনা স্থলে যান।পরে মনিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম ও এ এস পি(সার্কেল ) সৈয়ব হাসান ঘটনা স্থলে আসেন। তারপর পি আই বি পুলিশও ঘটনা স্থলে আসেন।

এ বিষয়ে কথা হয় ঝাঁপা পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ এর সাথে তিনি প্রতিনিধিকে জানান, জমি থেকে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের কারণে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধরনা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য রবিবার সকাল এগারোটার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লাশের মাথায় ও ঘাড়ে দুইটি কোপের দাগ রয়েছে। লাশের পাশ থেকে তার ব্যাবহারিত কোদাল ও ছাতা জব্দ করা হয়েছে। এবং তিন জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। উল্লেখ্য রবিবার সন্ধ্যার আগে লাশটি পারিবারিক কবর স্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।