মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার সিমান্তে রুবেল ও নজরুলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

0

রাশেদ আলী মনিরামপুর(যশোর):-যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার সিমান্তের বসবাসকারী মশ্মিমনগর ইউনিয়নের হাজরাকাটি গ্রামের রেজওয়ান দফাদারের বিবাহিত কন্যা এক সন্তানের জননী মুসলিমাকে পার্শবর্তী কেশবপুর উপজেলার ১ নং ত্রিমহিনী ইউনিয়নের চাঁদড়া গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে মামলাবাজ মাদক ব্যাবসাী নারী পাচার কারী বহু বিবাহের নায়ক ইয়াবা খোর রুবেল হোসেন দীর্ঘ তিন বছর ধরে পরকীয়া সহ খারাপ কাজের জন্য কু- প্রস্তাব দিয়ে আসছে।
এমনকি বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে কয়েক মাস পূর্বে রাজগঞ্জ বাজার থেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অপহরণ করে মুসলিমাকে।
সম্প্রতি বহু বিবাহের নায়ক ইয়াবা সেবন, মাদক ব্যাবসায়ীও নারী পাচারকারী রুবেল হোসেন এবং তার সহযোগী ত্রিমহিনী বাজারের গার্মেন্টস ব্যাবসায়ী বহু অপকর্মের হোতা চাচা নজরুল ইসলামের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী মুসলিমার বাবা, চাচাদের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে কথা হয় অপহরণের শিকার মুসলিমার সাথে, তিনি প্রতিনিধিকে বলেন আমি আমার স্বামীকে নিয়ে আমার পিতার বাড়িতে থাকি। একারণে বাড়ির সাথে আমার পিতার চা ও মুদির দোকানে পিতাকে সহযোগিতা করবার সুযোগেে রুবেল আমাদের দোকানে আসা যাওয়া শুরু করে ও দোকানে বেচা কেনা করতে থাকে।
একপর্যায়ে আমার বাবা না থাকলে রুবেল আমাকে বিভিন্ন প্রকার খারাপ কাজের জন্য ভয়ভিতী দেখায়।বিষয়টি আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে বললে আমার ভাই রুবেলকে আমাদের দোকানে আসতে নিষেধ করে।
তখন নেশাখোর রুবেল ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ভাইকে মারধর করে। এরপর সন্ত্রাসী রুবেল বেপরোয়া হয়প উঠে।
কিছুদিন পর আমি রাজগঞ্জ বাজারে এনজিও থেকে টাকা তুলতে আসলে রুবেল আমাকে রাজগঞ্জ বাজার থেকে তুলে নিয়ে যশোরে একটি বাড়িতে দুইদিন আটকিয়ে রাখে। আমি অনেক কষ্টে সেখান থেকে পালিয়ে আসি।
সরেজমিনে যেয়ে স্থানীয় গ্রামবাসির সঙ্গে কথা হলে তারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক ব্যাবসায়ী ও বহু বিবাহের নায়ক রুবেল ও তার চাচা নজরুল ইসলামরে বিরুদ্ধে ফুসে উঠে। এবং তাদের চাচা ভাতিজার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অজনা অনেক রহস্য প্রতিনিধিকে জানান এবং ইয়াবা সেবনকারী রুবেল ও তার চাচার বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিকট তদন্ত পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক সর্বচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
উল্লেখ্য ম্যাদক ব্যাবসায়ী রুবেল ও তার সহযোগী চাচা নজরুল ইসলামের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিষয় আপনাদের মাঝে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করা হবে।