মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন ১৫শ গার্মেন্টস শ্রমিক

1

সারোয়ার হোসেন জীবন: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে পোশাক শ্রমিকদের রক্ষা করতে পোশাক কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করার পরও নিয়মনীতি না মেনে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সানারপাড় এলাকায় সিকোটেক্স নামে একটি রপ্তানীমুখী পোশাক তৈরী কারখানা মালিক শ্রমিকদের দিয়ে জোড় পূর্বক কাজ করানোর অভিযোগ করেছেন শ্রমিকরা।এতে মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে কাজ করছেন গার্মেন্টসটির প্রায় পনেশ শ্রমিকরা।

গতকাল রবিবার দুপুরে সানারপাড় এলাকায় সিকোটেক্স গার্মেন্টসে গিয়ে দেখা যায়, হ্যান্ডগ্লোভস ছাড়াই কাজ করছে গার্মেন্টসটির অধিকাংশ শ্রমিকরা। গুটি কয়েকজন ছড়া কারো মুখে দেখা যায় নি মাস্ক। পর্যাপ্ত পরিমানে হ্যান্ডওয়াস দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন শ্রমিকরা।

শ্রমিকদের অভিযোগ, সারা বাংলাদেশে সকল পোশাক কারখানা বন্ধ করা হলেও তাদের পোশাক কারখানাটি বন্ধ হয়নি। কাজ করতে না চাইলেও শ্রমিকদের জোড় পূর্বক কাজ করাচ্ছে। এতে শ্রমিকরা মৃত্যুর ঝুঁকির মধ্যে আতংকে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ওই কারখানার শ্রমিক সাইদুর রহমান অভিযোগ করে সিএনবি নিউজকে বলেন, আমি সোনারগাঁ থেকে দুশ থেকে দুশ পঞ্চাশ টাকা গাড়ি অতিরিক্ত গাড়ি ভাড়া দিয়ে কারখানা আসতে হয়। যদি কাজে না আসি তাহলে আমাদের চাকরী থেকে বের করে দিবে মালিক পক্ষ। এ কারনেই চাকরী বাঁচানোর ভয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছি কারখানায়।

রহিমা বেগম নামে এক নারী শ্রমিক আক্ষেপ করে বলেন, সরকারের নির্দেশে সকল সরকারি ও বেসরকারি গার্মেন্টস বন্ধ ঘোষনা করা হলেও আমাদের মালিক তা না মানছেন না। উল্টো আমাদেরকে দিয়ে জোড় পূর্বক কাজ করাচেছ।

এবিষয়ে জানতে চাইলে সিকোটেক্স গ্রুপের পরিচালক মেহেদী হাসান শিবলী সিএনিবি নিউজকে জানান, আমাদের জরুরী কিছু শিপমেন্ট ও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কিছ পিপিই বানানোর জন্য বাধ্য হয়ে কারখানা খোলা রাখতে হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমানে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে খুব শিঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।