যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী বসবাসকারী রুবেল ও নজরুলের নির্মম প্রহরে শিকার হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও লোখমূখে

2

রাশেদ আলী যশোর থেকে:
যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী বসবাসকারী সন্ত্রাসী রুবেল ও নজরুলের নির্মম প্রহরে শিকার হয়ে মৃত্যু বরন করেন গত এক বছর পূর্বে চাদড়া গ্রামের সলেমান সানা।
একইভাবে তাদের মারপিঠে মৃত্যু বরন করে চাদড়া গ্রামের খালেক হোসন।
নজরুল ও রুবেল হিস্রহতার কাছে হার মেনে মামলা করতে যেয়েও তাদের হুমকির মুখে মাঝ পথ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয় মৃত্য সলেমানের পরিবার।
সলেমানের মৃত্যুর বিচার না হওয়ায় আরো বেপোরোয়া হয়ে উঠে রুবেল ও নজরুল।

সেই থেকে শুরু হয় হাজরাকাটি ও চাদড়া গ্রামের নিরহ মানুষের উপর নিরব চাঁদাবাজী,অত্যাচার নির্যাতন, নারীদের উপর যৌন হয়রানি।
উল্লেখ্য দুই থানার সিমান্ত বসবাস করাই তারা গড়ে তুলে মাধকের স্বর্গরাজ্য।
উল্লেখ্য রুবেল ও নজরুলের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় চারটি মাদক মামলা যা নাম্বার রুবেলের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে। যার নং- ২, তাং- ৩/৫/২০১৭, মামলা নং- ১২, তাং- ১৩/২/২০১৯ এবং মনিরামপুর থানায় মামলা রয়েছে। যার নং- ২০, তাং- ১৮/১১/২০১৬। সহ কলারোয়া থানা ও সাতক্ষীরা জেলায় বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।
সরেজমিনে যেয়ে কথা হয় মৃত্যু সলেমানের স্ত্রী ও ছেলের সাথে, তারা সি এন বি টিভি প্রতিনিধিকে জানয়,আমার স্বামী মাঠ থেকে ফেরার সময় বাড়ির সামনে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নজরুল ও রুবেল গাছের সাথে বেধে অমানুষিক নির্যাতন করলে চিকিৎসারত অবস্থায় আমার স্বামীর মৃত্যু হয়।
কথা হয় সলেমানের ছেলে রুবেলের সাথে, রবিউল সি এন বি টিভির অনুসন্ধান টিমের প্রতিনিধির সামনে তার পিতার করুন মৃত্যুর কাহিনি তুলে ধরে।
তিনি বলেন পিতা হত্যার খুনি রুবেল ও নজরুল বিরুদ্ধে দুই গ্রামের মানুষ ফুসে উঠেছে নজরুল ও রুবেলের সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে। সে আরো জানাই ৭১ সালের রাজাকারদের বিচার যদি হয়ে থাকে তাহলে আমার পিতার খুনির বিচার হবে না কেন।
আমি দুই গ্রামের মানুষের সহযোগিতায় আমার পিতার খুনিদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।