রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ১৫ ও ২১ আগস্টের ঘটনায় জিয়া-খালেদাকে জড়ানো হচ্ছে: ফখরুল

1

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ১৫ ও ২১ আগস্টের ঘটনায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাম জড়ানো হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

১৫ ও ২১ আগস্টের ঘটনায় জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার জড়িত থাকার কথা বারবার আলোচনায় আসছে—এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বা চক্রান্ত এটা তারই একটা অংশ। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে একটা প্রোপাগান্ডা বেশ কিছুদিন ধরেই চালানো হচ্ছে যে জিয়াউর রহমানের অবদান খাটো করে দেখানো এবং ১৫ আগস্টের ঘটনার সঙ্গে সংযুক্ত করে দেখানো।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ আগস্টের হত্যার বিচার হয়েছে, রায় হয়েছে, ফাঁসিও কার্যকর করেছে। সেখানে আবার নতুন করে জিয়াউর রহমানের নাম জড়ানো হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে। ২১ আগস্টের ঘটনার সঙ্গে খালেদা জিয়াকে জড়ানোও একই কারণে। তিনি আরও বলেন, ২১ আগস্টের ঘটনায় চারবার তদন্ত হয়েছে। বিচার হয়েছে, রায়ও হয়েছে। কোথাও খালেদা জিয়ার নাম আসেনি। তারপরও তাঁকে টেনে আনার কারণ হচ্ছে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করার জন্য।

২১ আগস্টের ঘটনা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাকে তখনো ব্যবহার করতে চেয়েছে এবং এখনো করছে। প্রকৃতপক্ষে এই মামলা থেকে কেউ লাভবান হলে তা আওয়ামী লীগই হয়েছে।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সরকার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। কারণ, মিয়ানমারকে ভারত ও চীন সমর্থন দেয়। তাদের সঙ্গে কোনো রকমের রফা করার ক্ষমতা সরকারের নেই। যার কারণে এই রোহিঙ্গাদের বোঝা এ দেশের মানুষকে বহন করতে হচ্ছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মুক্তিযোদ্ধা দলের ওপর সরকারি দল হামলা করেছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো সম্মান নেই।
আসন্ন পাঁচটি আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির অংশ নেওয়া বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মির্জা ফখরুল বলেন, দল সভা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।