স্ত্রীর পিটুনি খেল আওয়ামী লীগ নেতা,

1

মাদারীপুর সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জের ধরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আহম্মেদ হাওলাদারকে (৪৮) তার স্ত্রী মিলি আক্তার পাটার শিল ও রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মাদারীপুরে স্ত্রীর পিটুনিতে গুরুতর আহত আওয়ামী লীগ নেতা, ঢাকায় প্রেরণ
Shareঅ+অ-

মাদারীপুর সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জের ধরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আহম্মেদ হাওলাদারকে (৪৮) তার স্ত্রী মিলি আক্তার পাটার শিল ও রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে শহরের সৈয়দারবালী এলাকায় ইলিয়াস আহম্মেদের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন ইলিয়াস আহম্মেদ হাওলাদার ও তার পরিবারের সদস্যরা। পারিবারিক কলহের জেরে বৃহস্পতিবার ভোরে ঘরে থাকা পাটার শিল দিয়ে ইলিয়াসের মাথায় আঘাত করেন তার স্ত্রী মিলি। পরে রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করা হয়। এ ঘটনায় সকালে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক অখিল সরকার বলেন, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গুরুতর আঘাত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ইলিয়াস। তার মাথার তিনটি স্থানে আঘাত ছিল। হাতেও আঘাতের চিহ্ন আছে। মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে বলেন, ‘ঘটনা শুনে আমরা হাসপাতালে যাই। পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কী কারণে তার স্ত্রী এ রকম করল, তা আমাদের জানা নেই। পারিবারিক কলহের জের ধরেই হয়তো এ ঘটেছে। তাই আমরা এ বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাইনি।’ বৃহস্পতিবার দুপুরে ইলিয়াস আহম্মেদের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী-সন্তান কাউকে পাওয়া যায়নি। গাড়ির চালক ও ইলিয়াসের মামা বাড়িতে আছেন। মামা মো. শহীদ বলেন, ‘এটা পারিবারিক ঘটনা, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব।’ ইলিয়াসের স্ত্রীর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে তিনি তার বাবার বাড়িতে চলে গেছেন।