স্বস্তিটা ফিরে পেয়েছেন তামিম ইকবাল

2
Bangladesh's Tamim Iqbal attends a training session at The County Ground in Taunton, south-west England, on June 16, 2019, ahead of their 2019 World Cup match against West Indies. (Photo by Saeed KHAN / AFP) (Photo credit should read SAEED KHAN/AFP/Getty Images)

 

তামিম ইকবাল।সর্বশেষ মিরপুরে এসেছিলেন গত মার্চে,

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে।

তারপর শুরু হলো বিশ্ব জুড়ে ভয়ংকর এক আতঙ্ক, করোনা ভাইরাস। এ মহামারিতে ঘরে বন্দি ছিলেন সব ক্রিকেটার। তামিম ইকবাল অবশ্য এরই মধ্যে চিকিৎসা করাতে লন্ডন ঘুরে এসেছেন। অবশেষে ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেও রবিবার থেকে যোগ দিয়েছেন একক অনুশীলনে। আর গতকাল অনুশীলন শেষে বললেন, মাঠে ফিরে স্বস্তিটা ফিরে পেয়েছেন।

গত তিন-চার মাস সময়টা যে খুব কঠিন ছিল, সেটা আর সবার মতোই উপলব্ধি করেছেন তামিম। তিনি বলছিলেন, ‘আসলে এই তিন-চার মাস অনেক কঠিন ছিল। হয়তো বা আমরা বাসায় ছিলাম, পরিবারের সঙ্গে ছিলাম; কিন্তু মানসিক একটা চাপের মধ্য দিয়ে গেছে। বাসা থেকে বের হতে পারছিলাম না। নরমালি একটা ট্যুর থেকে এসে সাত-আট দিনের একটা ছুটি পাই। আমরা অনেক জায়গায় যেতে পারি বা কিছু করতে পারি। এই চার মাস স্বাস্থ্য ইস্যুতে চিন্তিত ছিল পরিবারের সদস্যরা। এই চার মাস অনেক কঠিন ছিল। এখন ফাইনালি যে জিনিসটা আমরা পছন্দ করি, খেলাধুলা সেটা শুরু হয়েছে। যেটা অনেক ভালো ব্যাপার।’

অনেক দিন পর ফিরে নিজের অনুমানের চেয়েও ব্যাটিংটা ভালো হয়েছে বলে বলছিলেন তামিম, ‘আসলে অনেক দিন পর অনুশীলন শুরু করলাম, প্রায় চার-পাঁচ মাস পর। ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে যতটা হতাশার হবে মনে করছিলাম আশ্চর্যজনকভাবে অতটা খারাপ মনে হয়নি আমার কাছে। ব্যাটিংটা মোটামুটি ঠিকই আছে। ফিটনেসের দিক থেকেও মোটামুটি ভালো আছে। কিন্তু ট্রেডমিল বলেন, ‘বাসায় যত অ্যাকটিভিটিজ করি তারচেয়ে রোদে বা মাঠে করাটা ভিন্ন ব্যাপার। মানিয়ে নিতে হয়তো আরো সপ্তাহখানেক লাগবে। যেভাবে নিয়ম মেনে সবকিছু করছি আমরা, আমার কাছে খুবই ইতিবাচক লাগছে। আশা করি এভাবে আগাতে থাকব। সঙ্গে আমাদের যেহেতু একটা তারিখ আছে, আমরা জানি আমাদের খেলা কখন শুরু হবে, তো সবাই সবার মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে সেরাটার জন্য।’

এ বন্দিত্বকালে বিসিবি যেভাবে বলেছে, সেভাবে ট্রেনিং করেছেন। তামিম বিশ্বাস করেন, তাদের সামনে এখন ভালো সুযোগ, ‘এই চার মাসে বিসিবিও আমাদের কিছু সেশন ঠিক করে দিয়েছিল। মানসিকভাবে যেন আমরা ভালো অবস্থায় থাকি। ব্যক্তিগতভাবে আমিও দুই-তিনটা সেশন করেছি। এসব আমাকে ভালো সাহায্য করেছে। কিন্তু যেটা বলেছি এই চার মাস কোনোভাবেই সহজ ছিল না। কিন্তু আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এখান থেকে বের হয়ে এসে যত তাড়াতাড়ি আমরা মানসিকভাবে ভালো অবস্থায় এসে যাই। কারণ আমাদের একটা বড় ট্যুর আসছে সামনে। আর আমি বিশ্বাস করি যে, আমাদের ভালো সুযোগ আছে