১৬৫ দিন পর মিলছে ট্রেনের টিকিট

6

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে গৃহীত পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সাড়ে পাঁচমাস বন্ধ ছিল কাউন্টারে রেলের টিকিট বিক্রি। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে আবারও কমিউটার-মেইল-লোকাল ট্রেনের পাশাপাশি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিটও কাউন্টারে পাওয়া যাচ্ছে।

কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারোয়ার রাইজিংবিডিকে জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পর্যায়ক্রমে সব ট্রেন চালু হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় কাউন্টারে টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে। কমিউটার-মেইল-লোকাল ট্রেনের বেশিরভাগ টিকিট কাউন্টারে দেওয়া হচ্ছে। আজ থেকে আন্তঃনগর ট্রেনের ২৫ শতাংশ টিকিট স্টেশনের কাউন্টারগুলোতে দেওয়া হচ্ছে।

রেল সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের কারণে দেশের প্রতিটি ট্রেনের মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হচ্ছে। এতদিন যার সবগুলোই অনলাইনে বিক্রি হচ্ছিল। আজ থেকে এ ৫০ শতাংশ টিকিটের অর্ধেক অর্থাৎ ২৫ শতাংশ আসন কাউন্টারের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে এবং বাকি অর্ধেক ২৫ শতাংশ মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইনে বিক্রি করা হবে।

টিকিট ইস্যু করার অন্যান্য নিয়মগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।যেমন- কোনো স্টেশনের অনুকূলে নির্দিষ্ট শ্রেণিতে বর্তমান নিয়মে বিক্রি করা মোট আসনের ৫০ শতাংশ টিকিটের সংখ্যা যদি ৬টির বেশি হয় শুধুমাত্র সে ক্ষেত্রে কাউন্টার, মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইনের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। টিকিটের সংখ্যা অনধিক ৬টি হলে তা শুধুমাত্র মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইনের মাধ্যমে ইস্যু করা, এক্ষেত্রে প্রতিটি ট্রেনে মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট সংখ্যা হতে বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা অনুকূলে ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকে, সে সব আসন বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে।

তাছাড়া, কাউন্টার ও মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন কোটায় অবিক্রিত টিকিট যাত্রার ১২০ ঘণ্টা আগে যে কোনো মাধ্যম থেকে ইস্যু করা। এদিকে, সকাল ৮টা থেকে কাউন্টারে মাধ্যমে টিকিট ইস্যু এবং বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৬টা থেকে মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন মাধ্যমে টিকিট ইস্যু করা যাবে।