৩ বছরেও হয়নি রাঙ্গামাটির নয়ন হত্যার বিচার

2

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ রাঙ্গামাটি জেলাধীন লংগদু উপজেলার নরুল ইসলাম (নয়ন) হত্যার বিচার তিন বছরেও সম্ভব হয়নি। ২০১৭ সালের ১ জুন লংগদু বাট্রাপাড়া থেকে অপহৃত হয় মটর সাইকেল চালক নরুল ইসলাম নয়ন। এর একদিন পর (২জুন) খাগড়াছড়ি – দিঘীনালা সড়কের ৪ মাইল নামক স্থানে এক ঝোঁপের পাশে পাওয়া যায় নয়নের লাশ।

নয়নের প্রতিবেশি মটর সাইকেল চালকদের মাধ্যমে জানা যায় দুইজন উপজাতি যুবক খাগড়াছড়ি ভাড়ার কথা বলে নয়নকে নিয়ে আসে তার পর থেকে নয়নের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যাই। প্রশাসনের তৎপরতায় নয়ন হত্যার সাথে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ভাবে জরিত ৩ জন কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসা বাধে দিঘীনালা কবাখালী সংলগ্ন মাইনি নদী থেকে উদ্বার করা হয় নয়নের ব্যবহারকৃত মটর বাইকটি।

অথচ এই বহু সমালোচিত ও আলোচিত এ নরুল ইসলাম হত্যার তিন বছর পেড়িয়ে গেলেও বিচার হীনতায় ভোগছে এ ভোক্তবোগি পরিবারটি। তিন বছরেও মেলেনি হত্যার কারন ও আসল হত্যাকারীর পরিচয়। এদিকে পরিবারের একমাত্র উপর্জনক্ষম ব্যক্তিটিকে হাড়িয়ে কিভাবে দিন কাটাচ্ছে সে দিকেও নেই কারো দৃষ্টি সংসারের উপার্জনের ব্যক্তিটি কে হাড়িয়ে মানবতার জীবন পার করছে এ পারিবার টি । নয়ন হত্যা নিয়ে দু- একটি বাংঙ্গালী সংগঠন ব্যতিত তেমন কাউকে এখন প্রতিবাদ করতে দেথা যায়নি।

বাংঙ্গালী সংগঠনের মুখপাত্র এস এম মাসুম রানা জানান, নয়ন হত্যার বিচার ধামাচাপা দিতেই সেদিন লংগদুতে অসহায় মানুষের বাড়িঘর পুড়ানো হয়েছিলো আর এতে করে ২৫০ নিড়িহ বাংঙ্গালীর ঘর পুড়ে উপজাতি সন্ত্রাসী সংঘঠন ইউপিডিএফ সহ আরো কয়েকটি সংগঠন। আজ তিন বছরেও কেন নয়ন হত্যার বিচার হয়নি এতে প্রশাসনের ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন তিনি। এদিকে সরকারের কাছে এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত নয়ন হত্যার সাথে জরিত সকলকে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুল্যক শাস্তি দেয়া হোক আমরা আর কোন নয়ন কে এভাবে হাড়াতে চায়না।
সর্বপুরি,পাহাড়ে একের পর এক ঘুম খুন হত্যা লেগেই রয়েছে সেই সাথে আছে অবৈধ অস্রের অবৈধ ব্যবহার প্রতিদিনি ঘটছে কোন না কোন দূর্ঘটনা চাঁদাবাজি অপহরণ আরো অনেক। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত এসব নিড়িহ বাংঙ্গালী আজ স্বাধীন রাষ্ট্রে পারাধীনতার গ্লানি নিয়ে জীবন যাপন করছে। নিড়িহ বাংঙ্গালীদের সরকারের প্রতি দাবী অচিরেই পাহাড় থেকে এ অবৈধ অস্রের ব্যবহার বন্ধে সরকার প্রোয়জনীয় প্রদক্ষেপ গ্রহন করবে।